কক্সবাজারের সাবেক ছাত্রনেতা মো. রাশেদুল হক সম্প্রতি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উদ্দেশে একটি খোলা চিঠি দিয়েছেন। এতে তিনি দাবি করেন, গত ১৭ বছরে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ছাত্রদল ও বিএনপির অনেক নেতাকর্মী রাজনৈতিক কারণে সরকারি ও বেসরকারি চাকরিতে বঞ্চিত হয়েছেন।

চিঠিতে রাশেদুল হক উল্লেখ করেন, রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে বহু মেধাবী ও যোগ্য শিক্ষিত তরুণ চাকরিতে যোগ দিতে পারেননি। তাঁদের মধ্যে অনেকে ইতিমধ্যে সরকারি চাকরির বয়সসীমা অতিক্রম করেছেন এবং দীর্ঘদিন ধরে বেকারত্বে ভুগছেন।

তিনি দলের শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত এসব শিক্ষিত ও মেধাবী নেতাকর্মীদের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তাঁদের জন্য উপযুক্ত কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। অন্যথায় তাঁদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে পড়বে।

চিঠিতে তিনি আরও উল্লেখ করেন, শুধু রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার কারণে যদি এসব ব্যক্তির শিক্ষাগত যোগ্যতা মূল্যায়িত না হয়, তবে তাঁদের সনদ কোনো কাজে আসবে না।

মো. রাশেদুল হক নিজেকে বিবিএস, এমবিএস ও এলএলবি ডিগ্রিধারী এবং কক্সবাজার জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের ১ নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন।


খোলা চিঠি নিম্নরূপ


খোলা চিঠি
মাননীয়
চেয়ারম্যান মহোদয়
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি
কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি।

আসসালামু আলাইকুম
বাংলাদেশে সুদীর্ঘ ১৭ বছর আওয়ামী লীগ সরকার থাকাকালীন হাজার হাজার ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা রাজনৈতিক যাঁতাকলে অত্যাচারিত হয়ে সরকারি বেসরকারি চাকুরিচ্যাুত হয়েছে পাশাপাশি বিএনপির রাজনৈতিক ব্যাকগ্রাউন্ডের কারণে অনেক মেধাবী আর যোগ্যতাসম্পন্ন শিক্ষিত ছেলেদের চাকরিতে যোগদান করতে দেয়া হয়নি।
এসব শিক্ষিত আর মেধাবীরা সার্টিফিকেট বয়স সীমাও পার হয়ে বেকারত্ব ভোগ করছে।

এসব মেধাবী আর শিক্ষিত বেকারদের ব্যাপারে যদি মাননীয় চেয়ারম্যান মহোদয় অথবা দলের হাইকমান্ড তাদের মেধার যথাযথ মূল্যায়নের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের ব্যবস্হা করতে না পারে তাহলে অনেক মেধাবী সাবেক ছাত্রনেতাদের ভবিষ্যৎ অন্ধকারে নিমজ্জিত হবে।

তাই এসব বিষয়ে সুবিবেচনা করা অতীব প্রয়োজন।
অন্যাথায় এসব মেধাবী শিক্ষিত বয়সসীমা পার হওয়া বেকারদের শুধু বিএনপি রাজনীতি করার কারণে তাদের সার্টিফিকেট গুলো আর কোন কাজে আসবে না।

নিবেদক
মোঃরাশেদুল হক
বিবিএস,এমবিএস,এলএলবি
সাবেক ছাত্রনেতা
১নং যুগ্ম আহবায়ক ককসবাজার জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল।